কুষ্টিয়ার মিরপুরে বেতন ভাতাদি ও পেনশন গ্রাচুইটি সরকারি কোষাগার থেকে পাওয়ার দাবীতে ২ দিনব্যাপী কর্মবিরতি শুরু করেছে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।
সোমবার সকাল ৯টা থেকে পৌর কার্যালয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ২ দিনব্যাপী এ কর্মবিরতি শুরু হয়।
কমিটির সভাপতি পৌরসভার প্রধান সহকারী আসাদুল হককে সভাপতিত্বে এ সময়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহাম্মেদ, কোষাধ্যাক্ষ আশরাফ আলী, প্রচার সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোহন আলী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া খাতুন, সদস্য মহাদেব চন্দ্র ঘোষ, সুজন আলী, মকলেছুর রহমান, খন্দকার খায়রুল আলম, সাইফুল ইসলাম, রিনা খাতুন, রফিকুল ইসলাম, তারা, বিল্লাল হোসেন, আর্জেনা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ছহরাপ আলী বিশ্বাস সালমান।
এ সময়ে বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকারের অধীনে পৌরসভা ব্যতিত অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারের রাজস্ব কোষাগার থেকে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন। শুধুমাত্র পৌরসভা স্থানীয় সরকারের অধীনে হওয়া স্বত্ত্বেও বেতন ভাতা সরকারী রাজস্ব কোষাগার থেকে প্রদান করা হয় না। পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীগন জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সেবা দিয়ে থাকেন। বাংলাদেশের হাতে গোনা কয়েকটি পৌরসভা ব্যতিত অন্যান্য সকল পৌরসভায় নিয়মিত বেতন ভাতা হয়না এবং মাসের পর মাস বেতন বকেয়া থাকে। ফলে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীগন পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেন। এ বিষয়ে সকল পৌর মেয়রগণ অবগত আছেন এবং ইতোমধ্যে তাঁরা দাবীর প্রতি একমত পোষণ করেছেন।
বক্তরা প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রী এবং আইন মন্ত্রীর প্রতি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও পেনশন সুবিধা সরকারী রাজস্ব কোষাগার থেকে প্রদানের দাবী বাস্তবায়নের জন্য জোর দাবী জানান।
কর্মবিরতি চলাকালীন সময়ে পৌর মেয়র হাজী এনামুল হক, কাউন্সিলর কলিউদ্দিন মল্লিক, জমির উদ্দিন, জাহিদ হোসেন, আতিয়ার প্রামানিক, আশরাফুল গণি সান্টু এ দাবীর প্রতি একাত্বতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন।
ইত্তেফাক/নূহু
