আশুগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে‘ নিহত ১

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:২২
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে আটকের একদিন পর পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে‘ সোলায়মান (২২) নামে এক অপহরণকারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর-তালশহর আঞ্চলিক সড়কের আখি এন্ড ট্রেনিং এর পরিত্যাক্ত একটি ব্রয়লারের সামনে এই ঘটনা ঘটে। সোলায়মান ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া হেতালবুনিয়া গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। 
 
এর আগে রবিবার রাতে তাকে অপরণের একটি মামলায় উপজেলার খড়িয়ালা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। বন্দুকযুদ্ধে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান ফকির ও আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম তালুকদার, এসআই আমজাদ হোসেন ও এসআই বাপিন আহত হয়েছেন।
 
আশুগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার জানান, আশুগঞ্জ থানায় অপহরণের পর হত্যার একটি মামলায় রবিবার রাতে উপজেলার খড়িয়ালা বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয় সোলায়মানকে। তার দেয়া তথ্যমতে সোমবার সকালে খড়িয়ালার একটি ভাড়া বাসা থেকে ১১ দিন আগে অপহরণ হওয়া রিফাতের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 
 
পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার সঙ্গে থাকা অপর অপহরণকারী মিজান উপজেলার বাহাদুরপুর-তালশহর সড়কের আখি এন্ড ট্রেনিং এর পরিত্যাক্ত একটি ব্রয়লারে আছে। পরে পুলিশ মঙ্গলবার ভোর তিন টার দিকে তাকে নিয়ে অপহরণকারী মিজানকে ধরতে বাহাদুরপুর-তালশহর আঞ্চলিক সড়কের আখি এন্ড ট্রেনিং এর সামনে যায়। 
 
এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিজান ও তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশও আত্বরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এসময় সোলায়মান গুলিবিদ্ধ ও পুলিশের চার কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। সোলায়মানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। 
 
ওসি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান, ২ টি কার্তুজ, তিনটি কার্তুজের খোসা, একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সোলায়মানের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় একটি অপহরণের পরে হত্যার অভিযোগে মামলা রয়েছে। 
 
ইত্তেফাক/কেকে