টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজ ছাত্রী রুপা খাতুনকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গতকাল আদালতে সপ্তম দফায় ৫ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এদের মধ্যে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও এক পুলিশ কনস্টেবল।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আগামী রবিবার এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্মতাসহ অন্যান্য সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এস আকবর খান জানান, রুপা হত্যা মামলার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধকারী চার ম্যাজিস্ট্রেট রুপম শান্তি দাস, শামসুল আলম, গোলাম কিবরিয়া ও আমিনুল ইসলাম গতকাল সাক্ষ্য প্রদান করেন। একই সাথে রুপার লাশ বহনকারী পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমানও সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।
গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রূপাকে চলন্ত বাসে ধর্ষণ করে পরিবহন শ্রমিকরা। বাসেই তাকে হত্যার পর মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।
ইত্তেফাক/আনিসুর
