উপজেলার ডাকাবরে মহারশি নদীর ওপর ৪৭ বছরেও ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় মরিয়মনগর-ডাকাবর সড়কপথে যাতায়াতকারী ১৫ গ্রামের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উপজেলার নলকুড়া, কোসাইকুড়া, ভারুয়া, ফাকরাবাদ, মানিককুড়া, গজারীকুড়া, হলদিগ্রাম, জারুলতলা, বাঐবাধা, বারোয়ামারী, ডাকাবর, রামেরকুড়া, শালচুড়া ও উপজেলা সদরের বাসিন্দারা এ পথে যাতায়াত করে থাকে। এ রাস্তার উভয়পাশে দুটি মহাবিদ্যালয়, চারটি উচ্চ বিদ্যালয়, দুটি দাখিল মাদ্রাসা, চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনটি বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি দপ্তর রয়েছে। এ পথে প্রতিদিন কোমলমতি শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত পথচারী যাতায়াত করে থাকে। গ্রামবাসী জানায়—এখানকার মহারশি নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি ওঠে দেশ স্বাধীনের পর থেকেই। ব্রিজ না থাকায় নদী পার হয়ে এপারে ওপারে যাতায়াত করতে হয় তিন থেকে চার কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে। বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শুষ্ক মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোতে পারাপার হতে হয় পথচারীদের। কৃষকদের উত্পাদিত কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় কৃষকদের। স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করেছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
