আলমডাঙ্গার ইটভাটায় কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:১৯

জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার অধিকাংশ ইটভাটায় খোলামেলাভাবে দেদারসে পুড়ছে জ্বালানি কাঠ। উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটা ঘুরে জ্বালানি কাঠ পোড়ানোর চিত্র দেখা যায়। অতিমাত্রায় জ্বালানি কাঠ ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণ ছাড়াও এলাকার গাছ-গাছালিসহ বৃক্ষ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এত করে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে সরকার কর্তৃক ইট ভাটাসমূহে জ্বালানি কাঠের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও কার্যত সরকারি এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রতিপালিত হচ্ছে না।

চুয়াডাঙ্গার এই আলমডাঙ্গা উপজেলা এলাকায় রয়েছে বড়-ছোট মিলিয়ে মোট ২০টিরও বেশি ইটভাটা। এর বেশির ভাগের প্রবেশপথের পাশে অল্প কিছু কয়লা সংরক্ষণ করে রাখা থাকলেও কার্যত ভাটাসমূহের  বেশিরভাগই জ্বালানি কাঠ ব্যবহার হচ্ছে। এ সংক্রান্ত খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে—তুলনামূলকভাবে কয়লার পরিবর্তে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারে উত্পাদন খরচ অনেকটাই কম হয়। এছাড়া কয়লা ক্রয় করে নিজ নিজ ভাটা পর্যন্ত নিয়ে আনতে খরচ-খরচা অনেক বেশি পড়ে যায়। বিধায় মালিকরা তাদের ভাটাসমূহে মূল্যবান কয়লার পরিবর্তে স্বল্প খরচে কাঠের ব্যবহার চালিয়ে যাচ্ছেন। এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে, আলমডাঙ্গার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত মাননান বলেন, ‘বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করা হয়েছে। রবিবার থেকেই একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত এলাকার দুটি ইটভাটা পরিদর্শন করেছে। আলোচ্য বিষয়ে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

ইত্তেফাক/নূহু