হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কে গাড়ি চলছে হেলেদুলে

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৪১

দেশের প্রথম দুই লেন হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ অংশের নয় কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে। রাস্তার কার্পেট উঠে যাওয়ায় এবং ইটের সোলিং নষ্ট হয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কটির ওই নয় কিলোমিটার পার্শ্ব রাস্তাটির চিত্র আরও করুণ। এ পথে শুধু খানাখন্দই নয়, বেশ কিছু অংশে রাস্তা ধ্বসে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন গাড়ির চালক এবং যাত্রীরা। বেড়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
  
সরেজমিনে দেখা গেছে, নয় কিলোমিটার জুড়েই ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। আবার কোথাও ফুলে-ফেঁপে ঢিবির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মহিষলুটি বাজারের পূর্ব পাশে সৃষ্ট বেশ বড় আকারের গর্তটি যাত্রী ও চালকদের জন্য এক মরণ ফাঁদ। রাস্তায় গাড়িগুলো চলছে হেলে-দুলে। বাড়ছে যানজট।

এদিকে মূল সড়কের সঙ্গে ধীর গতির যান চলাচলের পার্শ্ব¦রাস্তাটি একেবারে বিধ্বস্ত। নয় কিলোমিটারের মধ্যে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০টি স্থানে পাকা রাস্তার প্রায় অর্ধেকটি ধ্বসে পাশের কৃষি জমিতে বিলীন হয়েছে। এতে করে বাধ্য হয়ে সিএনজি, ভটভটি, লছিমন, করিমন, ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান, মোটরসাইকেলসহ ধীর গতির যানবাহন গুলো মহাসড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করছে।

কয়েকজন গাড়ির চালক অভিযোগ করে বলেন, উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর; দক্ষিণাঞ্চলের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার যাতায়াতের প্রধান রুট হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। রাস্তার খারাপ অবস্থার জন্য সঠিক সময়ে যাত্রী গন্তব্যে পেীঁছে দেওয়া যায় না। কাঁচামাল গুলো পাইকারি বাজারে পৌঁছে দিতে অনেক সময় লাগছে।

আরও পড়ুন: নিককে নিয়ে একি বললেন প্রিয়াঙ্কা !

এ প্রসঙ্গে জেলা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ডা. মোহাম্মাদ আহাদ উল্লাহ দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার ইতিমধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। বাকি ৯ কিলোমিটারের জন্য প্রিয়োডিক মেইনটেইন্যান্স প্রোগ্রামের (পিএমপি) আওতায় সংস্কারের জন্য আলাদা প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পার্শ্ব রাস্তাটিরও কাজ করা হবে। 

ইত্তেফাক/অনি