প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলো (ইপিজেড) সফলভাবে পরিচালনায় বেপজার ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, ইপিজেডের মত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) পরিচালনায়ও বেপজা সাফল্য দেখাতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, বেপজা বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে রফতানি বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আমি বিশ্বাস করি ইপিজেডের মত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনায়ও বেপজা সাফল্যের পরিচয় দিবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেপজা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন-২০১৮’র উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তার সরকার বেসরকারি খাতের উন্নয়নে কাজ শুরু করে। দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য তার সরকারই প্রথম দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বেপজা ইনভেস্টরস্ কনফারেন্স করেছিল।
তিনি বলেন, সে সময় দেশে চট্টগ্রাম ইপিজেড এবং স্বল্প পরিসরে ঢাকা ইপিজেড চালু ছিল। পরবর্তীকালে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য তার সরকার ঢাকা ও চট্টগ্রাম ইপিজেডের সম্প্রসারণ করে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কুমিল্লা, মংলা, ঈশ্বরদী এবং নীলফামারিতে ইপিজেড স্থাপন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ ইপিজেড আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থাপিত হয়েছে। ইপিজেড স্থাপনের ফলে ঐসব অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।
তার সরকারের সময়ে বেপজার সাফল্যের বিষয়ে মানুষকে তথ্য প্রদানের পাশাপাশি (বিইপিজেডএ-বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটি) বেপজা’র মাধ্যমে বিনিয়োগ, রপ্তানী ও কর্মসংস্থানের চিত্র তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়েই এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সম্মেলনে বেপজার গত ৯ বছরের অবদান ও সাফল্য তুলে ধরা হবে।
ইত্তেফাক/কেকে
