শিশু রোকসানাকে ধর্ষণের পর হত্যা

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:০২
 
শিশু রোকসানাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। সোমবার পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষক রায়হান কবির সোহাগ (২৮) একথা স্বীকার করেন। এর অাগে তাকে রবিবার দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার নবীগঞ্জ এলাকার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই এলাকার কবির হোসেন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিল তিনি। সোহাগ নীট কনসার্ন গার্মেন্টসে কাজ করতেন।
 
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ (সার্কেল-ক) মো. শরফ্দ্দুীন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, সোহাগকে জিজ্ঞাবাসাবাদ করলে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন।
 
সোহাগ পুলিশকে জানান, ২৩ জানুয়ারি সকালে রোকসানাকে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে বন্দরের ২২/টি হোসেন রোডের কবির হোসেনের বাড়ির ভাড়া বাসায় ধর্ষণ করেন। সেসময় চিৎকার করতে থাকলে তার হাত-পা বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে গলায় পা দিয়ে চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে রোকসানার লাশ বস্তায় ভরে সোনারগাঁয়ের কাইারটেক চর এলাকায় নিয়ে ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে আসেন।
 
অতিরিক্ত পুলিশ মো. শরফুদ্দীন আরো জানান, মামলা দায়েরের পর পরই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) নজরুল ইসলাম, উপ পরিদর্শক (এসআই) মামুন উল আবেদ ও রাসেল আহমেদকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। কমিটি তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার হাত পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি অবস্থায় লাশ সোনারগাঁ উপজেলার কাইকারটেক এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। রোকসানা (১০) সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী। সে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল আরামবাগ এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মেয়ে। এর আগে ২৪ জানুয়ারি দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেন স্কুলছাত্রী আফসানার বাবা মো. আশরাফুল ইসলাম। সেখানে উল্লেখ করা হয় ২৩ জানুয়ারি সকালে বাসা থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আফসানা আর বাসায় ফিরেনি। 
 
ইত্তেফাক/আরকেজি