ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৫ জন ঢাবি থেকে বহিষ্কৃত

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৮, ০৯:১৯
 
ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় ছাত্রলীগের সাবেক এক কেন্দ্রীয় নেতাসহ তিনজন এবং জালিয়াতির সুযোগ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১২ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল।
 
জালিয়াতিতে জড়িত তিন শিক্ষার্থী হলেন- ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের নাভিদ আনজুম তনয়, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহিউদ্দিন রানা, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের আবদুল্লাহ আল মামুন। এদের মধ্যে রানা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন।
 
গত ২০ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগের রাতে জালিয়াতিতে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ রানা ও মামুনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। এরপর রানাকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ; বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তাদের দুজনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জালিয়াত চক্রের অন্যতম হোতা তনয়সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জালিয়াতির সুযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ওই ১২ শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেন তদন্তকারীরা।
 
২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া এই শিক্ষার্থীদের সবাই বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। এরা হলেন- রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নাহিদ ইফতেখার, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের মো. আজিজুল হাকিম, মনোবিজ্ঞান বিভাগের মো. বায়েজিদ, সংস্কৃত বিভাগের প্রসেনজিৎ দাশ, স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের ফারদিন আহমেদ সাব্বির, অর্থনীতি বিভাগের মো. তানভীর আহমেদ মল্লিক ও রিফাত হোসাইন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রাফসান করিম, বাংলা বিভাগের আখিনুর রহমান অনিক, ইতিহাস বিভাগের টিএম তানভীর হাসনাইন, শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের মুন্সী সুজাউর রহমান এবং পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল হাসান নাঈম।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ