রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বিবদমান জমিতে আবর্জনা ফেলা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত জহুরা বেগম (৫৫) মারা গেছেন। দুইদিন চেতনাহীন অবস্থায় থাকার পর গতকাল বুধবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের পয়েশঘোষ গ্রামের শাহজাহান আলী ও জহুরা বেগমের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। এদিকে গত সোমবার সকালে জহুরা বেগম তার বাড়ির পাশের ওই বিবদমান জমিতে আবর্জনা ফেলেন। এতে প্রতিপক্ষ শাহজাহান আলীর সঙ্গে ওই নারীর বিবাদ বাধে। এক পর্যায়ে বিবাদটি উভয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে প্রতিপক্ষরা জহুরা বেগমকে হাঁসুয়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে তিনিসহ পরিবারের তিন সদস্য আহত হন। এছাড়াও প্রতিপক্ষ শাহজাহান আলীও আহত হন। পরে আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে জহুরা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অচেতন অবস্থায় গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান। এদিকে জহুরা বেগমের মৃত্যুর খবর জানার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রতিপক্ষ শাহজাহান আলী পালিয়ে যান।
সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের ছেলে মাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাগমারা থানার এসআই আতাউর রহমান বলেন, 'সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। আলাদা মামলা করার প্রয়োজন নেই। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন।'
ইত্তেফাক/এসএস
