ডাকাতি: ৪ পুলিশসহ ৭ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৮:০৩
 
নরসিংদীতে ডিবি পরিচয়ে মালয়েশিয়া প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৪ পুলিশসহ ৭ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। নরসিংদীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন আক্তার বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শুনানি শেষে তা মঞ্জুর করেন।
 
আসামিদের মধ্যে তিনজনের ৩দিন ও চারজনকে ২দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। তিনদিন করে রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাখাওয়াত হোসেন, এসআই আজহারুল ইসলাম ও গাড়ি চালক নুরুজ্জামান মোল্লা।
 
দুইদিন করে রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম এবং সহযোগী নূর মোহাম্মদ ও সাদেক মিয়া। নরসিংদী আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. রহুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
এরআগে বুধবার রাতে তাদের বিরুদ্ধে ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয় নরসিংদীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওয়ায়েজ আলী করণীর আদালতে। বিজ্ঞ আদালত বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানির আদেশ দিয়ে আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
 
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া প্রবাসী নরসিংদীর রায়পুরার হাইরমারা এলাকার সোহেল মিয়া শুক্রবার রাতে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে ৪জন স্বজনের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গাড়িটি নরসিংদীর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাহেপ্রতাবের একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নেয়ার জন্য থামে। এসময় একটি সাদা মাইক্রোবাস থেকে নেমে উপ-পরিদর্শক সাখাওয়াত ও আজহার আলীসহ ৪/৫জন নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রবাসী সোহেলের গাড়িতে অবৈধ মালামাল রয়েছে বলে দাবী করেন। পরে তল্লাশির নাম করে সোহেলের কাছ থেকে ২টি স্বর্ণের বার, স্বর্ণের অলংকার, মোবাইল সেটসহ প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয়।
 
পরে এ ঘটনা প্রবাসীর স্বজন মো. শাহজাহান লিখিতভাবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে জানান। গোয়েন্দা পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে সিএনজি স্টেশনের সিসি টিভির ফুটেজ দেখে ঘটনার সত্যতা পান এবং রায়পুরা থানার ৪পুলিশসহ অন্য তিন আসামিকে শনাক্ত করেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মো. শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ওই সাত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। 
 
ইত্তেফাক/আরকেজি