রংপুরে নিখোঁজের দুদিন পর তানভির আবদুল্লাহ তালহা (১৩) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে মহানগরীর ভগীবালাপাড়া রহমানিয়া নূরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার বিকেলে মসজিদের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তার মাথা উদ্ধার করা হয়।
রংপুরের কোতোয়ালি থানার ওসি বাবুল মিয়া জানান, মসজিদ থেকে মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধারের পর শুক্রবার বিকেলে মসজিদের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। হত্যায় জড়িত সন্দেহে মাদ্রাসার দুই শিক্ষক, পাঁচছাত্র, মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে আটক করা হয়েছে।
জানা যায়, রংপুর সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট খান জাহান আলী রংপুর মহানগরীর ভগিবালাপাড়া এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন। বাড়ির পাশেই রহমানিয়া নূরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা তার পুত্র তানভির আবদুল্লাহ তালহাকে ভর্তি করান হাফিজিয়া পড়ার জন্য। বুধবার তালহা নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তালহাকে না পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে খান জাহান আলী রংপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। কোতোয়ালি থানার এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা রাতে মাদ্রাসা সংলগ্ন ভগিবালাপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে নামাজ পড়ার একটি চটে মোড়ানো তানভির আবদুল্লাহ তালহার মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করে। আজ বিকেলে মসজিদের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তার মাথা উদ্ধার করা হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি
