টেকনাফ সড়কে বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় ৪জন এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৬জন আহত হয়েছে। এতে পরীক্ষার্থী বোঝাই সিএনজি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
জানা যায়, সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের ৩নং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র হোয়াইক্যং আলহাজ্ব আলী-আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে সিএনজিযোগে ফিরছিল। সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে কাঞ্জরপাড়া ষ্টেশনের কাছে বিপরীত দিক হতে একটি ডাম্পার বেপোয়ারা গতিতে এসে পরীক্ষার্থী বোঝাই সিএনজি ও যাত্রী বোঝাই একটি টমটমকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে গাড়ি উল্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী হ্নীলা উলুচামরীর মোহাম্মদ হোছনের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার, দরগা পাড়ার নুরুল বশরের মেয়ে মাইমুনা আক্তার, হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার সিরাজ মিয়ার মেয়ে নাছিমা আক্তার, লেদার শামশুল আলমের মেয়ে মাহমুদা আক্তার ও অভিভাবক মোহাম্মদ হোসনসহ সিএনজি চালক আহত হয়ে মাটিতে পড়ে চিৎকার করতে থাকে। পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হ্নীলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও গুরুতর আহত ১জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও ১জন অভিভাবককে উন্নত চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহত এসএসসি পরীক্ষার্থীর পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে শিক্ষক ও সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো: শফিকুল ইসলাম সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এদিকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের পর হতে টেকনাফ সড়কে অদক্ষ চালকদের উৎপাত ও নাম্বারবিহীন ডাম্পার, চাঁন্দের গাড়ি, মাহিন্দ্রারা, সিএনজি, টমটম ও অটোরিক্সার ছড়াছড়ি হলেও নিয়ন্ত্রণের কেউ না থাকায় এই সড়কে দিন দিন দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলের দাবী। এসব অচিরে বন্ধ করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
ইত্তেফাক/নূহু
