দুই যুগেও চালু হয়নি শ্রীবরদী উপজেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। রোদ-বৃষ্টিতে কষ্ট করে যাত্রীদের রাস্তা থেকেই উঠতে হয় বাসে। ফলে পরিত্যক্ত টার্মিনালটি এখন নানা কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শেরপুর জেলা পরিষদের অধীনে ১৯৯৪ সালে শ্রীবরদী-শেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ৫০ শতাংশ জমির ওপর শেরপুর জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয় শ্রীবরদী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। বাস টার্মিনালটিতে যাত্রী ছাউনি, বিশ্রামের ব্যবস্থাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা থাকলেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে দীর্ঘ দুই যুগেও চালু না হওয়ায় পরিত্যক্ত পড়ে আছে।
যাত্রীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে টার্মিনালটি ব্যবহার না করায় ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে তাদের। শ্রমিক নেতাদের নির্দেশেই চৌরাস্তা মোড়ে কাউন্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। টার্মিনালের ভেতরে যাত্রীদের সুবিধা থাকলেও তা এখন পরিত্যক্ত। যানবাহন চালকরা তাদের সুবিধার জন্যই রাস্তার পাশে চৌরাস্তার মোড়ে গাড়ি পার্কিং করে যাত্রী উঠানো নামানোর কাজ করছে।
উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আবু জাফর বলেন, চৌরাস্তা মোড়ে সকল প্রকার যানবাহন এলোমেলোভাবে না রেখে নির্দিষ্ট সরকারি বাস টার্মিনালেই গাড়িগুলো স্ট্যান্ড করা উচিত। মটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কাসেম জানান, বাস টার্মিনালটি একটু দূরে হওয়ায় যাত্রীরা ওখানে যেতে চায় না। তাদের সুবিধার জন্যই চৌরাস্তা মোড়েই কাউন্টার রাখা হয়েছে।
পৌর মেয়র আবু সাঈদ বলেন, কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন করে টেন্ডারের মাধ্যমে টার্মিনালটি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
