কাজীবাচা নদীর বটিয়াঘাটা-বিরাট খেয়াঘাটে পারাপারে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উপজেলা সদরের সঙ্গে তিন ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ ঘাট। ভাটার সময় কোমর পানি ভেঙে খেয়ায় ওঠার সময় যাত্রীরা বিপাকে পড়েন।
পুরুষরা কাপড় ভিজিয়ে ট্রলারে ওঠানামা করলেও লজ্জায় পড়েন নারীরা। স্কুল-কলেজগামী ছেলে-মেয়েদের পারাপারের দৃশ্য আরও নাজুক। তাদের কেউবা কাপড় ভিজিয়ে আবার কেউ খেয়ামাঝির কোলে চড়ে খেয়ায় ওঠা-নামা করেন। ওই ঘাটের ডাকদাতা প্রায় তিনশ’ গজ দূরে টোলঘরে বসে জনপ্রতি ছয় টাকা পারানি আদায় করেন। মালামাল পারের ভাড়া পৃথকভাবে দিতে হয়। তবে পুরনো সাঁকোর সঙ্গে মাত্র একটি নতুন সাঁকো নদীর চরে স্থাপন করলে এ দুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব বলে জানান যাত্রীরা। খেয়ার যাত্রী খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতা শেখ লিমন জানান, বটিয়াঘাটা-বিরাজ খেয়াঘাট পারাপারের ওই দৃশ্য প্রতিদিনের হলেও কর্তৃপক্ষের কোনো দৃষ্টি নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, এক কোটি সাত লাখ টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক ঘাট নির্মাণের জন্য টেন্ডার হয়েছে। তবে সাময়িক এ বিড়ম্বনা দূর করার জন্য এখনই ঘাট ডাকদাতাকে বলে দেয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
