খুলনায় পুলিশের সতর্কাবস্থা

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৩:০৫
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায়কে ঘিরে খুলনা নগরীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশেষ করে নগর ও জেলা বিএনপি কার্যালয় পুলিশের দখলে রয়েছে। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিএনপি কার্যালয়ে কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি।
 
এদিকে খালেদা জিয়ার রায় ঘোষণার পর সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ছয় প্লাটুন বিজিবি সদস্যও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব কারণে নগরীতে সাধারণ মানুষের চলাচল এবং যানবাহন চলাচল তুলনামূলক কম পরিলক্ষিত হচ্ছে। অপরদিকে, শহরের বেশির ভাগ স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কম।
 
এর আগে বুধবার রাত থেকেই খুলনার রাজপথ অনেকটা ফাঁকা রয়েছে। রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত নগরীতে সকল প্রকার লাঠি, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)।
 
শহরে প্রবেশের সবগুলো পথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি। নিরাপত্তায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশ সদস্যের সংখ্যাও। বাড়ানো হয়েছে টহল। খুলনা থেকে ঢাকাসহ দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধও রয়েছে। শহরে গণপরিবহনও চলছে তুলনামূলক কম।
 
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মনিরা সুলতানা বলেন, খুলনার গুরুত্বপূর্ণ ৩৬টি পয়েন্টে তল্লাশির জন্য নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। মহানগরীতে ২৪টি মোবাইল টহল টীম কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২শ’ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে।   বাড়ানো হয়েছে র‌্যারের টহলও।
 
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্যা বলেন, যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬শ’ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে।
 
খুলনার জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান বলেন, জেলা এবং কেএমপি পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ছয় প্লাটুন বিজিবি সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে যে কোন সময় তাদের মোতায়েন করা হবে।
 
ইত্তেফাক/এসএস