মাইথারকান্দিতে জরাজীর্ণ সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৩:৩১

কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজার-ছান্দ্রা সড়কের মাইথারকান্দি খালের ওপর অর্ধশত বছর আগের নির্মিত সেতুটি যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়ে আছে। এতে ওই এলাকার মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে জোড়াতালির এ সেতু দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের মাইথারকান্দি খালের ওপর ১৯৬৮ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এলাকাবাসীর যাতায়াতের একমাত্র এ সেতু দিয়ে কমপক্ষে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষকে নিরুপায় হয়ে দিনে-রাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রায় ছয় বছর আগে থেকেই এই সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এলাকার ভুক্তভোগী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, জরাজীর্ণ ও জোড়াতালির এই সেতুতে একসঙ্গে কয়েকজন যাওয়ার সময় সেতুটি যেন ধসে পড়ার উপক্রম হয়। সেতুর ভাঙা স্থানে পা আটকে মাইথারকান্দি গ্রামের বয়োবৃদ্ধ আঃ খালেকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে ভয়ে ভয়ে এ সেতু দিয়ে চলাচল করতে হয়। প্রায় ছয় বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুর ভেঙে যাওয়া পাটাতনে কাঠ ও ঢালাই দিয়ে মেরামত করে চলাচলের জন্য সাময়িক ব্যবস্থা করা হয়।

গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাশেম সরকার জানান, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সেতুটি ভেঙে এ স্থানে জরুরি ভিত্তিতে পাকা সেতু নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেছি। দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল হক জানান, সেতুটি জনগণের চলাচলের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। এ সেতুটি বহু পূর্বে নির্মিত হওয়ায় এ কার্যালয়ে এই সেতুর কোনো আইডি নাম্বার নেই। তাই এ স্থানে নতুন করে পাকা সেতু নির্মাণের বরাদ্দ চেয়ে তালিকা পাঠানো যাচ্ছে না। তবে জনদুর্ভোগ নিরসনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ইত্তেফাক/নূহু