বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে মুক্ত করার যে আন্দোলন শুরু হয়েছে সেই আন্দোলনে দেশের পেশাজীবীও রাজপথে থাকবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র যে এখন বিপন্ন হয়ে গেছে খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে, মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া তারই প্রমাণ। গণতন্ত্রের প্রতীক খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশের আপামর জনগণের মতো পেশাজীবীরাও এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনে রাজনৈতিক কার্যালয়ে পেশাজীবীদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ফখরুল বলেন, আগামী দিনে বেগম জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করার আন্দোলনে পেশাজীবীরাও রাজপথে থাকবে। রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকে লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যুক্ত হন। পরে তিনি বেশ কিছুক্ষণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বৈঠকে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারান্তরীণের পর দলের কর্মকৌশল কি হওয়া উচিৎ তা নিয়ে পেশাজীবী নেতারা পরামর্শ দেন।
বৈঠকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লঅহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ। পেশাজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, রুহুল আমিন গাজী, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, আব্দুল কুদ্দুস, ড.অধ্যাপক আব্দুল কায়েস ভূইয়া, আব্দুল মান্নান মিয়া, সিরাজউদ্দীন আহমেদ, প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, এ কে এম আজিজুল হক, আ ন হ আক্তার হোসেন, আব্দুল আলিম, কৃষিবিদ ইব্রাহিম মিয়া, আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলা, শামিমুর রহমান শামিম, হাসান জাফির তুহিন প্রমুখ।
এদিকে আইনজীবী নেতাদের বৈঠক ডেকেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকাল ৫টায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
ইত্তেফাক/ইউবি
