জাতীয় পার্টি-জেপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলা নববর্ষ, বাঙালি জাতীয়তা, কৃষ্টি ও সাংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলা নববর্ষ বাঙালির জাতীয় উৎসব। যেখানে জাতি ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারে। আমরা নববর্ষ উৎযাপনের মাধ্যমে বাঙালির স্বকীয় বৈশিষ্ট উন্মোচিত করি যা আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃ্দ্ধ করে।’
আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি-জেপি’র উদ্যোগে নববর্ষ উৎযাপন উপলক্ষে ঢাকাস্থ লালমাটিয়া দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি-জেপি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকী, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন রেনু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক এম সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সহ সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম তপন, কে এম মজিবুর রহমান মজনু,সহ সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি এ্যাড. এনামুল ইসলাম রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা) আবুল হোসেন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা)সাদেক আহমেদ নিপু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্দুল্লাহ টিংকু, শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলম, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিয়া খান,যুগ্ম-প্রচার সম্পাদক মঞ্জুর হাবিব মঞ্জু, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ বৈরাগী, যুগ্ম-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন তালুকদার জুয়েল প্রমুখ।
বাংলা সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে সমৃদ্ধ করার জন্য যারা অবদান রেখেছেন তাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে জাতীয় পার্টি-জেপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেকমন্ত্রী শেখ শহীদ বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যদি বাঙালির আবাসভূমি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হতো, আমরা আমাদের এই স্বকীয় বৈশিষ্ট্য পাকিস্তানির আগ্রাসনের মুখে বজায় রাখতে পারতাম না।’
আরও পড়ুনঃ পুঠিয়ায় ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার
তিনি তার বক্তব্যে বাঙালির সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য সকল সংস্কৃতিসেবীদের প্রতি বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন প্রতিরোধের আহ্বান জানান।
ইত্তেফাক/নূহু
