গংগাপুরে ব্রিজের অভাবে ৪০০০ লোকের ভোগান্তি

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৩:০৭

ব্রিজের অভাবে উপজেলার গংগাপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ৪ হাজার গ্রামবাসীর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় সিডরের তাণ্ডবে ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের বিভাজিত সিকদারের খালের উপর  যোগাযোগো রক্ষাকারী লেদু হাওলাদার বাড়ির ব্রিজটি ভেঙে যায়। স্থানীরা মিলে চলাচলের জন্য সাঁকো তৈরি করেন। যা বর্তমানে পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে।

গংগাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন, গংগাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সুজন হাওলাদার, ওই এলাকার সফিকুল ইসলাম, বাবুল ও আবুল হোসেন হাং জানান, সিডরের সময় ব্রিজটি ভেঙে যায়। কিন্তু ১০ বছর পরও ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়নি। যার কারণে ওই তিনটি ওয়ার্ডের ৪ হাজার গ্রামবাসী দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়রা মিলে চলাচলের জন্য এটি তৈরি করেছেন। ওই সাঁকোর অবস্থা নাজুক। ওই সাঁকোর উত্তর পাড়ে (ইউনিয়নের মূল অংশ) গংগাপুর হাই স্কুল, পূর্বজয়া সরকারি প্রাথমিক, দক্ষিণ পূর্ব জয়া সরকারি, দক্ষিণ জয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক মাদ্রাসা রয়েছে। হাট-বাজার কিংবা উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগে দক্ষিণ পারের লোকজনকে এপারে আসতে হয়। ওই পারে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। আবার দক্ষিণ পারে রয়েছে বিশাল সিকদারের চর। চাষাবাদের জন্য কৃষি উপকরণ নিয়ে এই সাঁকো দিয়েই যেতে হয়। তারা জানায়, এ পর্যন্ত সাঁকো থেকে পড়ে ৫০জন আহত হয়েছেন।

৮নং ওয়ার্ডের সিরাজ মাঝি জানান, তার বাবা নজির আহমেদ সর্দ্দার  সাঁকো থেকে পড়ে মারা যায়।

৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার নসু হাওলাদার এবং কালাম বর্দ্দার জানান, বর্ষাকালে মানুষের খুবই কষ্ট হয়। আহতের সংখ্যা ৩০-৫০ বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য গংগাপুর ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিমকে মুঠো ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম লিটন জানান, ব্রিজ না থাকায় গ্রামবাসীর সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু ব্রিজ করার বাজেট পরিষদে নেই।

ইত্তেফাক/নূহু