ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত নলছিটির শিশুরা

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৩:০৮

নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্রতার কষাঘাতে স্কুলগামী শিশুরা লেখাপড়া বন্ধ করে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত হচ্ছে। তারা পরিবারের অভাব-অনটনের কারণে ইটভাটা, অটোরিকশা, ডাইসু-টেম্পু এবং বাসাবাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে। শতভাগ শিশুদের স্কুলগামী করতে সরকার নানা ধরনের পদক্ষেপ নিলেও নলছিটি উপজেলায় নানা সমস্যার কারণে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলার কয়েকটি ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিক লোকমান(১২), শুক্কুর(১৩), সাব্বির হোসেন(১২), হূদয় হোসেন(১৬), সবুজ(১৬), শাহীন(১৬) ও তারেক (১৭) জানান, তারা অভাবী পরিবারের সন্তান। কাজ ছাড়া সংসারে দু বেলা, দু মুঠো খাবার জোটে না। লোকমান জানান, বাবা-মা সবাই আছে। একটি কওমী মাদ্রাসা থেকে পড়াশুনা করে করতো। এখন অভাবের তাড়নায় লেখাপড়া করতে পারছে না। সাব্বির হোসেন জানায়, দেড় বছর আগে তার বাবা মারা গেছেন। মা ও তিন ভাই-বোনের সংসার। এরমধ্যে একমাত্র পুরুষ সে। সংসার ও নিজের পড়ালেখার খরচ চালাতে ইট ভাটায় কাজ করছে। এ সকল শিশু শ্রমিকরা ইট শুকনো ও কাঁচা ইট পাজায় সাজানোর কাজে নিয়োজিত। এদের সবারই বেতন ২শ ৫০ টাকা। একই ইটের পাজায় ভিন্ন রকম কাজ করছে বিভিন্ন শ্রেণির শিশু।

শিশু শ্রমের বিষয়ে একটি ইটভাটার মালিক মো. শাহ আলম হাওলাদার জানান, তার ইটভাটায় কোনো শিশু শ্রমিক নেই। তবে অভাবের তাড়নায় দুই/একজন শিশু কাজ করলেও তাদের পারিশ্রমিক সঠিকভাবে দেওয়া হচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু