শেরপুরের পালস জেনারেল হাসপাতালে নবজাতক ও প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম পুতুলী রানী (২৫)। তিনি উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঝর গ্রামের শ্রী শিবেনের স্ত্রী। উক্ত ঘটনায় রবিবার রাতে ওই প্রসূতির স্বামী বাদী হয়ে হাসপাতালের মালিকসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ওই হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারল আলম আজাদ, গাইনী সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ব্যবস্থাপক আমিনুর ইসলাম ও স্টাফ ইউসুফ আলী। পরে পুলিশ হাসপাতালটিতে অভিযান চালায়। এসময় অভিযুক্তদের মধ্যে আমিনুর ও ইউসুফকে গ্রেফতার করা হয়।
শেরপুর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার (১৭ ফেব্রুারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ওই প্রসূতির প্রসব ব্যথা উঠলে শহরতলীর পালস জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার সকালের দিকে তার অপারেশন করা হয়। এসময় নবজাতক মারা যায়। একইসঙ্গে ওই প্রসূতিও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তিনিও মারা যান।
ওসি আরো বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতির লাশ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু শজিমেক কর্তৃপক্ষ জানায়, এখানে নিয়ে আসার অনেক আগেই প্রসূতি পুতুলী রানী মারা গেছেন। পরে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়ায় পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালটিতে অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থাপক ও স্টাফকে গ্রেফতার করা হয়।
ডা. লুৎফুন নেছা মোবাইল ফোনে জানান, প্রসূতি একলামশিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ায় নবজাতক ও প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
