মঠবাড়িয়ার ৫৭নং আন্ধারমানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ইমরানের (৮) টিউমারে পুঁজ হয়েছে ভেবে সেখানে অস্ত্রপাচার চালান গ্রাম্য ডাক্তার। অপচিকিৎসায় টিউমারে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে তার শরীরে।
পরে গত বছরের ১৫ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। শিশুটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার একেএম আমিরুল ইসলাম খশরুর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে। ইতিমধ্যে তাকে সাতটি কেমো দেয়া হয়েছে। ইমরানের বাবা গ্রাম্য ওই ডাক্তারের বিচার দাবি করেছেন।
ইমরানের দিনমজুর বাবার পক্ষে আর চিকিৎসা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। সন্তানের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে গাড়ি চালক ওই বাবা আজ নিঃস্ব হয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামের মো. বাবুল হাওলাদার একজন গাড়ি চালক। অটো চালিয়ে সংসার চলে।
তিনি বলেন, অনেক দিন ধার দেনা করে চিকিৎসা করেছি। এখন আর পারছি না। চিকিৎসকরা বলেছেন অপরেশন করাতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। তাই আমি একজন অসহায় বাবা হয়ে সন্তানকে বাঁচানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে হাত বাড়িয়েছি।
এ ব্যাপারে ওই গ্রাম্য চিকিৎসক আবুল কালামের সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে টিউমারে অস্ত্রপাচারের কথা অস্বীকার করে পরে তিনি সার্জিক্যাল ব্লেড দিয়ে পুঁজ বের করে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
প্রধানশিক্ষক আলী হায়দার সোহেল অসহায় স্কুলছাত্র ইমরানের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। যোগাযোগের ঠিকানা ০১৭৩৬১০৪৯২০ (বাবুল হাওলাদার)।
ইত্তেফাক/আরকেজি
