তালা উপজেলার ৩৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) ক্লিনিক বন্ধ রেখে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করছে। এতে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকার দরিদ্ররা।
জানা যায়, তালা উপজেলার ৩৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা নেয় নিম্ন-আয়ের মানুষ। এসব ক্লিনিক থেকে ২৫ থেকে ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করায় অসহায় মানুষেরা সুফল পেয়ে আসছে। তবে প্রায় একমাস সময় ধরে ক্লিনিক বন্ধ রেখে কর্মরত (সিএইচসিপি) তাদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে নামায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। এতে টাকা ও সময় অপচয় হচ্ছে, সঙ্গে বাড়তি ভোগান্তিতো রয়েছেই। ঠান্ডাজনিত রোগসহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের হতদরিদ্র বিনামূল্যে ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা থাকতেও মানুষগুলো পাচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা।
তালা উপজেলার হাজরাকাটী গ্রামের মোঃ আফজাল হোসেন সরদার বলেন, গত ছয়/সাতদিন ধরে ঠান্ডা জ্বরের ওষুধ নিতে এসেও গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ পাচ্ছেন। নিরুপায় হয়ে তালা হাসপাতাল হতে ওষুধ নিতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের তালা উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হলেও অদ্যাবধি আমাদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কুদরত-ই খুদা বলেন, আন্দোলন-কর্মসূচির জন্যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ রেখেছে। তবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সেবা অব্যাহত রাখতে এলাকায় কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা সহকারীদের দিয়ে যথাসাধ্য সেবা দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু
