অধ্যক্ষের অবহেলায় জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেনি প্রতিযোগিরা

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২৩:৩৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের অবহেলায় জেলা পর্যায়ে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিযোগিরা।

জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় উপজেলা থেকে কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচিত হলেও জেলা পর্যায়ে অংশ না নেওয়ায় কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জেলা পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় উপজেলা থেকে অন্য দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রথমবারের মতো সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বড়লেখা উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। ওই প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

প্রতিযোগিতায় কলেজ পর্যায়ে নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ে বড়লেখা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়। এরপরই নির্বাচিত ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা পর্যায়ে অংশ নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিস থেকে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জেলা পর্যায়ে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজ অংশ না নিলেও বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়লেখা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশ নিয়েছে। তবে ওই কলেজের একটি সূত্র জানায়, কলেজের অধ্যক্ষ হরুন-অর-রশীদ গাড়ি ভাড়া প্রদান না করায় প্রতিযোগিরা অংশ নিতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হরুন-অর-রশীদ বৃহস্পতিবার (২২ ফ্রেব্রুয়ারি) বিকেলে বলেন, ‘আমাদের কলেজে গভর্র্নিং বডির সভা ছিলো। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জয়ী হলেও অনেক সময় পুরস্কার পাওয়া যায় না। সীমান্তবর্তী উপজেলার কলেজ হওয়ায় বিচারকরা পক্ষপাতিত্ব করেন। সেজন্য দল পাঠানো হয়নি।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ বৃহস্পতিবার (২২ ফ্রেব্রুয়ারি) বলেন, ‘জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলায় অংশ নেওয়ার জন্য পত্র পাঠিয়ে ও মৌখিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছিল। প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার বিষয়ে কলেজের (নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজ) অধ্যক্ষ আমাকে কিছু জানাননি।’

ইত্তেফাক/নূহু