খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বিএনপির আইনজীবীদের ডিলেটারির প্রাকটিসের কারণেই খালেদা জিয়াকে বেশিদিন কারাগারে থাকতে হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায় বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার দীর্ঘ কারাবাস চাচ্ছেন। দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতেই তাদের এই ষড়যন্ত্র। গভীর ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ডিএইচএমএস ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহবুবুর রহমানের স্মরণে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন খালেদা জিয়া কারাগারে, আমার নেত্রী যদি কারাগারে থাকতেন, তবে যত দ্রুত সম্ভব তার মুক্তি কামনা করতাম, দ্রুত মামলা লড়তাম। কিন্তু বিএনপি নেতৃবৃন্দ অহেতুক, যাতে করে বেশি দিন বিএপি নেত্রী কারাগারে থাকে, সেই ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচার বহু আগেই শেষ করা যেত। কিন্তু বিএনপির আইনজীবীরা পরিকল্পিতভাবে মামলাটি বিলম্বিত করেছে, যাতে নির্বাচনের বছরে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়। তিনি বলেন, রায়ের কপির জন্য যথাসময়ে দরখাস্ত দেয়নি, পিটিশনের জন্য যথাসময়ে দরখাস্ত দেয়নি, বৃহস্পতিবার মামলার আপিল শুনানি (গ্রহণযোগ্যতা) হয়েছে, সেখানেও জামিনের জন্য দুদকের কাগজপত্র যথাসময়ে দেয়নি। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার হয়ত খালেদা জিয়া জামিনে বের হয়ে যেতে পারতেন, সেটা বিলম্বিত করেছে যেন আরও দুই দিন বেশি কারাগারে থাকতে হয়।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ডা. শেখ মোহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা মহারনগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
ইত্তেফাক/এমআই
