লেখক ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগিরই এই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।
আজ রবিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং এ উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, লেখক অভিজিৎ রায়কে ৩ বছর আগে হত্যা করা হয়। আগামীকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার অভিজিৎ রায়ের হত্যাকাণ্ডের তিন বছর পূর্ণ হবে। এই মামলা তদন্তের দায়িত্বে ছিল গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত তিন মাস আগে মামলাটি সিটিটিসি’র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, মামলা হস্তান্তরের আগে এই মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সিটিটিসি এই মামলায় আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হচ্ছে- মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সাইমন, আবু সিদ্দিক সোহেল ও আরাফাত ওরফে শামস ওরফে সাজ্জাদ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে এই তিনজনের ছবি রয়েছে।
পাশাপাশি গত আড়াই বছর আগে অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে শনাক্তকৃত ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত তিনজন পুরস্কার ঘোষিতদের মধ্যে ছিল।
সিটিটিসি’র প্রধান বলেন, এই তিন জনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে মূলত এই মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে।এই বিষয়ে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় আমরা আরো পাঁচজনকে শনাক্ত করেছি। এই পলাতক পাঁচজনের মধ্যে আরো দু’জনকে গ্রেফতার করতে পারলে আমরা এই মামলার তদন্ত কাজ সমাপ্ত করতে পারবো এবং শিগগিরই চার্জশিট দিতে পারবো। বাসস।
ইত্তেফাক/এমআই
