ভুরুঙ্গামারীতে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:৪২

ভুরুঙ্গামারীতে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে গত ২০ জানুয়ারি থেকে কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের লাগাতার আন্দোলনে উপজেলার ৩২টি ক্লিনিক প্রায় মাসাধিককাল থেকে বন্ধ থাকায় প্রায় লক্ষাধিক গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়েছে।

উপজেলা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলায় গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার এ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৩২টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেন। প্রতিটি ক্লিনিকে একজন করে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগ দিয়ে কার্যক্রম চালু করায় গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী সহজেই স্বাস্থ্য সেবা পেয়ে আসছিল।

এদিকে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডারদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি থেকে ঢাকায় আন্দোলন শুরু করে। তাদের আন্দোলনের কারণে সারাদেশের মত ভুরুঙ্গামারীতেও ৩২টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রায় মাসব্যাপী বন্ধ থাকায় ভেঙে পড়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকায় এ সকল জনগোষ্ঠী ছুটছে উপজেলা সদর হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. শ্রী সুভাষ চন্দ্র সরকার জানান, সিএইচসিপিরা আন্দোলনে থাকায় গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবায় ব্যাঘাত ঘটায় উপজেলা সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ সহকারী দিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালানো হচ্ছে। এদিকে নলেয়া, ইশ্ববরুয়া ও মানিককাজি কমিউনিটি ক্লিনিকে গেলে কোথাও স্বাস্থ্য সহকারী বা পরিবার কল্যাণ সহকারীদের পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী জানান, কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) আন্দোলনে যাওয়ার পর ক্লিনিকগুলোতে স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ সহকারীরা ঠিকমত দায়িত্ব পালন না করায় এলাকার মানুষ সদর হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভিড় জমাচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু