ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডের ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ১১২ রানের বড় ব্যবধানে হারালো আবাহনী লিমিটেড। এই নিয়ে এ পর্যন্ত ছয় ম্যাচের সবগুলোতেই জিতলো আবাহনী। তবে ছয় ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনটি করে জয় ও হারের স্বাদ পেলো মোহামেডান।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করার সুযোগ পায় আবাহনী। দলীয় ১৪ রানে ওপেনার সাইফ হাসান নামের পাশে ২ রান করে ফিরলেও নাজমুল হোসেন শান্ত-মোহাম্মদ মিথুনকে নিয়ে দলের ইনিংস মেরামত করতে থাকেন আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়।
বিজয়ের ৮১ বলে ৬৩, শান্তর ২৬ ও মিথুনের ৪৫ বলে ৪৭ রানের ওপর ভর করে দেড়শ’ রানের কোটা পেরিয়ে যায় আবাহনী। তাদের বিদায়ের পরও আবাহনীর রানের চাকা সচল থাকে অধিনায়ক নাসির হোসেনের কল্যাণে। একাই দলকে সামনের দিকে টেনেছেন তিনি। শেষ দিকে মাশরাফির বিন মর্তুজার ১৭ বলে ২৬ রানের সাথে নাসিরের ৭৩ বলে ৬৭ রানে সবক’টি উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রানের সংগ্রহ পায় আবাহনী। নাসিররের ইনিংসে ৭টি চার ও মাশরাফির ইনিংসে ১টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। মোহামেডানের মোহাম্মদ আজিম ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ২৬০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই আবাহনীর পেসার মাশরাফির তোপের মুখে পড়ে মোহামেডানের টপ-অর্ডার। প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১ ও ৩ রান করে মাশরাফির বলে বিদায় নেন জনি তালুকদার ও অধিনায়ক শামসুর রহমান। এর মাঝেও রান তোলার কাজটা ভালোভাবে সম্পন্ন করছিলেন রনি তালুকদার। তবে বেশি দূর যাবার আগে, রনিকেও তুলে নেন ম্যাশ। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৮ বলে ৩৫ রান করেন রনি।
৬২ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন দুই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান ইরফান শুক্কুর ও রকিবুল হাসান। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা। শুক্কুর ৪০ ও রকিবুল ২৮ রান করেন। তাদের ফিরে যাবার পর আর কোন ব্যাটসম্যানই দু’অংকের কোটা স্পর্শ করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় মোহামেডানের ইনিংস। আবাহনীর পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়ে দলের জয়ে অবদান রাখেন মাশরাফি-মিরাজ। তবে ম্যাচের সেরা হয়েছেন বিজয়।
ইত্তেফাক/কেআই
