প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে নন্দীগ্রামে আমের ভালো ফলনের আশা

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:১৮
শীতের শেষে ফাগুনের হাওয়ায় আমগাছ সেজেছে মুকুলে। বাতাসে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ ছড়াচ্ছে। সোনালি-হলুদ রঙের মুকুলে ঢেকে গেছে আম গাছগুলো। মৌমাছিরা এখন আম গাছ থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত। মধু মাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।
 
গত বছরের চেয়ে এবার আম গাছে মুকুল এসেছে বেশি। এবার মুকুলের ভারেই গাছের ডাল নুইয়েছে। চলতি মৌসুমে যদি বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে তাহলে এবার নন্দীগ্রামে ৩০ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে।
 
আম চাষিরা গাছের প্রাথমিক পর্যায়ের পরিচর্যা শেষ করেছে। ভালো ফলন পেতে বাগান মালিক ও আম চাষিরা আমবাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে আমের বাম্পার ফলনের আশা করছে আম চাষি ও বাগান মালিকরা।
 
নন্দীগ্রাম উপজেলায় হাতে গোনা কয়েকটি আম বাগান ছিল। কিন্তু  বর্তমানে উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে নতুন নতুন আমের বাগান গড়ে উঠেছে। এ উপজেলায় আম্রপালি ও রুপালী জাতের আমের বাগান বেশি তৈরি হচ্ছে।
 
নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার রহমান নগরের আম বাগানের মালিক ও পৌর কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জানান, বাগানে রূপালী ও আম্রপালি জাতের গাছে রয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
 
উপজেলা কৃষি অফিসার মোহা. মশিদুল হক জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে এবার ৭শ' মন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে উপ-সহকারী কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক আম চাষি ও বাগান মালিকদের আমগাছ পরিচর্যায় পরামর্শ দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে আমের আশানুরূপ ফলন হবে ইনশাল্লাহ। এছাড়াও আমরা কৃষকদের নতুন আমবাগান তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করছি।
 
ইত্তেফাক/এসএস