মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে সরকার এককভাবে ততটা স্বাবলম্বী হয়ে ওঠেনি। শিক্ষার পরিপূর্ণ বিকাশে সরকারের সাথে জনসাধারণের সংশ্লিষ্টতা বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। বেসরকারি সংগঠন ‘গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র’ ও ‘শাপলা নীড়ে’র আয়োজনে একটি জাতীয় পর্যায়ের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান এসব কথা বলেন।
রবিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর ব্রাক সেন্টারে ‘সপ্ন অভিমুখে যাত্রা: 'দিনাজপুরের মূলধারার প্রাথমিক শিক্ষায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের অর্ন্তভূক্তকরণ’ শিরোনামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মন্ত্রী আরও বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সরকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। কেউ যেন শিক্ষার বাইরে না থাকে সেজন্য সরকার অগ্রণী। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার জনগণের চাহিদার সাথে বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠির চাহিদাকে প্রাধন্যের ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর পরিপূর্ণ শিক্ষা বিকাশে ইতিমধ্যে ৫ ভাষায় বই প্রকাশ করা হয়েছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র ও শাপলা নীড়ের মত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে জাপান দূতাবাসের অর্থনীতি বিষয়ক কাউন্সিলর ইয়াশুহারু শিনতো, আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. জিন্নাত ইমতিয়াজ আলী এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন ডিরেক্টর বিজয় ভূষণ পাল বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন। অনুষ্ঠানে জাইকা, ইনোজিও, জাপানের দূতাবাসের প্রতিনিধি, অন্যান্য এনজিও প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রর সিই জনাব মোয়াজ্জেম হোসেন এবং শাপলা নীড়ের সাধারণ সম্পাদক টয়োওকি কোমাৎসু অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। শাপলা নীড়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর নবুতাদা সুঘারার ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠারে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
ইত্তেফাক/এমআই
