জলাবদ্ধতা নিরসনে গাভীয়ার খালে আবারো সিসিকের অভিযান

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৮, ১৮:৫৭
আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সিলেট নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্ত রাখতে গাভীয়ারখালে আবারো অভিযান শুরু করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। শনিবার দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়। 
 
গাভীয়ারখালের গতি পরিবর্তন করে দেয়াল নির্মাণ করায় তা ভেঙ্গে দেয়া হয়ছে। এর আগে ২০১৩ গাভীয়ারখাল উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন। খাল উদ্ধারের পর সে সময় এই ছড়া দিয়ে অর্থমন্ত্রী মুহিত ও সিটি মেয়র আরিফল হক চৌধূরী স্পিডবোর্ড নিয়ে চলাচল করেন। পরে আবারো অবৈধ দখলকারীদের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারায় গাভীয়ারখাল। ছড়ার দু’পাড়ে গড়ে উঠে বাসা-বাড়িসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। 
 
শনিবার দুপুরে দখল হয়ে যাওয়া নগরীর নবাবরোড এলজিডি কার্যালয়ের পেছনের অংশ ভাঙ্গার কাজ শুরু করেন মেয়র আরিফ। এসময় সিসিক মেয়র বলেন, ‘সিলেট নগরীর অন্যতম সমস্যা নগরীর ভেতর দিয়ে প্রবহমান ছড়া-খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়া। এরফলে বাধাগ্রস্ত হয় নগরীর পানি নিষ্কাষণ, দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। তাই এর সমাধান প্রয়োজন। 
 
মেয়র বলেন, এখন আর কেউ ছড়া, খাল, ড্রেন দখল করতে পারবেনা। দখলকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, দখলদাররা যত বড় প্রভাবশালী হোক না কেন তার বিরুদ্ধে এ্যাকশনে রয়েছে সিসিক।
   
সিসিকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, এখন থেকে ছড়া, নালা, খাল, ড্রেন উদ্ধারে কাউকে ছাড় নয়; বরং এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিসিক। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীতে আর তেমন জলাবদ্ধতা হবার আশংকা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছড়া-খাল উদ্ধার করে তা রক্ষার উদ্যোগ নগরবাসীকেও নিতে হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ছাড়া ছড়া, নালা, ড্রেনে আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসীকে অনুরোধ করেন সিসিকের এই কর্মকর্তা। 
 
অভিযানে সিসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট ছালেহ আহমদ, মখলিছুর রহমান কামরান, সিসিকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, শামছুল হক পাটোয়ারীসহ সিসিকের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
ইত্তেফাক/এমআই