রাশিয়ান সাবেক এক গুপ্তচরের ওপর নার্ভ এজেন্ট হামলার কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় রাশিয়া বিশ্বকাপে ইংলিশ সমর্থবদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দাবি করেছেন বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন।
৪ মার্চ সংঘঠিত ঐ হামলার জন্য মস্কোকে দায়ী করেছে ব্রিটেন। আর এজন্য লন্ডন ও মস্কোর মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হয়। ইতোমধ্যেই বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে জানিয়েছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে বৃটিশ রাজ পরিবারের সদস্য ও সরকারের কোন মন্ত্রী অংশ নেবেন না।
তবে জনসন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ফুটবল দলের অংশগ্রহণ নিয়ে বৃটিশ সরকারের কোন আপত্তি নেই। রাজনৈতিক উত্তেজনায় ইংল্যান্ড দলকে না পাঠানোর কোন যৌক্তিকতা নেই। ইতোমধ্যেই বৃটেন থেকে ২৩ জন রাশিয়ান কূটনীতিককে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে, মস্কোও এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব পরিস্থিতি নিরিখে জনসন জানিয়েছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে আগত বৃটিশ সমর্থকদের নিরাপত্তা যাচাইয়ে তারা প্রতিনিধি দল প্রেরণ করবে। এ ব্যপারে আলোচানা চলছে বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, রাশিয়া বিশ্বকাপ উপভোগ করতে ২৪ হাজার বৃটিশ নাগরিক টিকিট সংগ্রহ করেছে। রাশিয়ান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। তবে এর দায়িত্ব পুরোটাই রাশিয়ার। ফিফার আইনেও সমর্থকদের নিরাপত্তার বিষয়টি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ আছে।
জনসন বলেছেন ইংলিশ সমর্থকদের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে যা করণীয় তা তারা করবে। এজন্য সম্প্রুত রাশিয়ান পুলিশের সাথেও তারা সমন্বয় সভা করেছে। রাশিয়র পক্ষ থেকেও অবশ্য এ পর্যন্ত সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস তারা পেয়েছে।
২০১৪ সালের বিশ্বকাপে যেখানে ৯৪ হাজার বৃটিশ সমর্থক ব্রাজিল ভ্রমন করেছিল সেখানে এবার রাশিয়ায় যাচ্ছে মাত্র ২৪ হাজার। সেদিক থেকে বৃটিশ সরকার অবশ্য কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে। আগামী ১৮ জুন তিউনিশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে। ২৪ ও ২৮ জুন গ্রুপের পরের দুই ম্যাচে যথাক্রমে পানামা ও বেলজিয়ামের মোকাবেলা করবে ইংলিশরা। বাসস।
ইত্তেফাক/রেজা
