“হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ করো’- এই মন্ত্র উচ্চারণ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যমুনা নদীতে স্নান করছেন। এর মাধ্যমে জাগতিক সংকীর্ণতা ও পঙ্কিলতার আবরণে ঘেরা জীবন থেকে পাপ মুক্ত হবেন এমনটাই বিশ্বাস নদে স্নান করতে আসা হাজারো পুণ্যার্থীর।
রবিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি যমুনা নদীতে স্নানোত্সবে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে। সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে। স্নানোত্সব শুরু হওয়ার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ স্নানোত্সব এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন।
স্নান উপলক্ষে স্নানোত্সব কমিটি পুণ্যার্থীদের সেবা দিতে বিভিন্ন ক্যাম্প স্থাপন করেছে। এসব ক্যাম্প থেকে পুণ্যার্থীদের রান্না করা খাবার, স্নান ঘাটে কাপড় পাল্টানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ও বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হয়। আগত পুণ্যার্থীরা উত্সবের ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পাশ্ববর্তী জেলা সিরাজগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা স্নান করতে যমুনা নদে আসেন।
স্নান উত্সবকে কেন্দ্র করে স্নান ঘাটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আয়োজক কমিটির সভাপতি বাবলু হালদার জানান, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পাপ মোচনের আশায় যমুনা নদে স্নান করতে এসেছেন। প্রশাসনের সহযোগিতায় স্নানোত্সব সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পুন্ন হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানান, যমুনা নদীতে স্নানোত্সবে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর আগমন ঘটেছে। প্রশাসন থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্নান ঘাটে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএম
