খুলনায় যুবক শাহজালালের দু’ চোখ উৎপাটন মামলায় পুনঃতদন্তের নির্দেশের কপি এক মাসেও কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) না পাঠানোয় আদালতের পেশকারকে শোকজ করা হয়েছে।
রবিবার খুলনা মহানগর হাকিম মো. শাহীদুল ইসলাম এ নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশের কপি দ্রুত ডিবিতে প্রেরণ এবং আগামী ২২ এপ্রিল পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি কমিশনারের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে আদেশ দেন। কিন্তু এক মাসেও পেশকার শেখ মোস্তাক আহমেদ আদালতের নির্দেশের কপি ডিবিতে প্রেরণ করেননি। এ কারণে রবিবার ধার্যদিনে বিষয়টি তিনি আদালতে উপস্থাপন করেন। আদালত বিষয়টি অবহিত হয়ে পেশকারকে শোকজ করেন। এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দাখিল করা হয়।
তবে পেশকার শেখ মোস্তাক আহমেদ বলেন, বাদীপক্ষ মামলার সকল কাগজপত্র সরবরাহ না করায় তিনি আদালতের আদেশের কপি ডিবিতে প্রেরণ করতে পারেননি। এ কারণে আদালত তাকে শোকজ করেছেন কি-না এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত কোন নির্দেশনা তিনি পাননি।
উল্লেখ্য, যুবক শাহজালালের দু’ চোখ উৎপাটনের অভিযোগ এনে গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের আমলী আদালতে তার মা রেনু বেগম মামলা দায়ের করেন। মামলার খালিশপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাসিম খান, এএসআই রাসেল, এসআই তাপষ কুমার পাল, এসআই মো. মোরসেলিম মোল্লা, এসআই মো. মিজানুর রহমান, কনস্টেবল আল মামুন, আনসার সিপাহী মো. আফসার আলী, ল্যান্স নায়েক আবুল হাসেম, আনসার নায়েক রেজাউল হক, এসআই মো. নূর ইসলাম এসআই সৈয়দ সাহেব আলী এবং সহযোগী সুমা আক্তার ও মো. রাসেলকে আসামি করা হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি
