বগুড়ার ধুনট উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও তার কার্যালয়ের নিরীক্ষককে (অডিটর) মারধরের মামলায় গ্রেফতারকৃত স্বেচ্ছাসবকলীগ নেতা ফেরদৌস আলম শ্যামলকে (৩৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ধুনট থানা থেকে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ফেরদৌস আলম শ্যামল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌর এলাকায় অফিসার পাড়ার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর খাবার সরবরাহের ঠিকাদার ছিলেন ফেরদৌস আলম শ্যামল। ওই সময় খাবার সরবরাহের বিল বাবদ ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪০০ টাকা বকেয়া রয়েছে। সম্প্রতি সরকারিভাবে এই বকেয়া বিলের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিধি মোতাবেক উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিল ছাড়ের পর সোনালী ব্যাংক ধুনট শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে বকেয়া বিল ছাড় করতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন ফেরদৌস আলম শ্যামল। কিন্তু বিল ছাড়ের প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হলে ওই কার্যালয়ের নিরীক্ষক (অডিটর) তৌফিক ইসলামকে মারধর করতে থাকে। এসময় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দৌলত জামানসহ অন্যান্য কর্মচারীরা নিরীক্ষককে রক্ষার চেষ্টাকালে তাদেরও লাঞ্ছিত করেন ফেরদৌস আলম শ্যামল। সংবাদ পেয়ে ওই কার্যালয় থেকে ফেরদৌস আলম শ্যামলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিরীক্ষক তৌফিক ইসলাম বাদী হয়ে ফেরদৌস আলম শ্যামলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।
ধুনট থানার অফিসার ইনাচার্জ খান মো. এরফান বলেন, কর্মকর্তাদের মারধর মামলার আসামি ফেরদৌস আলম শ্যামলকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসএস
