জার্মান সংগঠনটি একটি প্যাড সর্বস্ব ভুয়া সংগঠন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত বিএনপি জামাতের দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, জার্মান সংগঠনটি একটি প্যাড সর্বস্ব ভুয়া সংগঠন। ওয়েব সাইট ই হচ্ছে তাদের ঠিকানা। তাদের চিন্তার মধ্যে মিয়ানমার আসলো না। যে দেশে লাখ লাখ মানুষকে দেশান্তরি করেছে, যেই দেশে গণতন্ত্র বলতে কিচ্ছু নাই। থাইল্যান্ডও আসলো না। আফ্রিকার বহু দেশ যেখানে কথা বলার কোনো স্বাধীনতা নাই, গণতন্ত্রতো দুরে থাক বাকস্বাধীনতাও নাই সেই সমস্ত দেশের নাম ও আসলো না। এটি বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার খবরকে ম্লান করার জন্য বিএনপি জামায়াতের ষড়যন্ত্রের অংশ বিশেষ ছাড়া অন্য কিছু নয়।
মির্জা ফখরুল, মওদুদসহ বিএনপির অনেক নেতা আছে যারা রাজনৈতিক কাক ছাড়া অন্য কিছু নয় মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতার উৎচ্ছিষ্ট বিলিয়ে রাজনৈতিক কাকদের সমন্বয়ে বিএনপি গঠন করেছিলেন। বিএনপিতে অনেক নেতা আছে যারা বাইচান্স বিএনপি অথবা বাই এক্সিডেন্ট বিএনপি। আবার অনেকেই আওয়ামী লীগের নমিনেশন না পেয়ে বিএনপি হয়েছে।
বিএনপি এখন দুর্নীতিবাজদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তাদের গঠনতন্ত্রের সাত ধারা বাতিলের মাধ্যমে তারা যারা দুর্নীতির দায়ে শাস্তি প্রাপ্ত হয়েছেন, সাজা প্রাপ্ত হয়েছেন তারা যাতে বিএনপির নেতা হতে পারেন সে ব্যবস্থা করেছেন। দুর্নীতিবাজদের জন্য এটি একটি সুখবর। তাদের বর্তমান রাজনীতি হচ্ছে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে দণ্ড ভোগ করা বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র যিনি দুর্নীতির দায়ে ১০ বছরের সাজা প্রাপ্ত এই দুইজনকে রক্ষা করা। সুতরাং আজকে যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত হয়েছে তখনই বিএনপি জামায়াত দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে সমস্ত পৃথিবীতে।
'বেগম খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে যাবে' মির্জা ফখরুলের সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরাও চাই আপনারা বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে নির্বাচন করেন। এজন্য জোর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উনাকে মুক্ত করার চেষ্টা করুন। তবে বিএনপির বর্ণচোরা আইনজীবীদের নিয়ে সেই চেষ্টা সফল হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ড্যানি সিডাকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফালগুনী হামিদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমানসহ প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
