কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পূর্ব ঘোষিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের (২৯ মার্চ) জনসভা স্থগিত করেছে বিএনপি। বুধবার বিকালে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।
তিনি বলেন, বিকাল ৫টা বাজলেও আমরা এখনো সমাবেশের অনুমতি পাইনি। এটা করার জন্য তো প্রস্তুতির বিষয় আছে। তাই আজকের সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে।
রিজভী বলেন, মঙ্গলবার দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পর আমরা বিশ্বাস করতে চেয়েছিলাম সরকার জনসভার অনুমতি দিবে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন-গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জনসভার অনুমতি দিবে পুলিশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে এটা প্রমাণিত হয়েছে দেশ চালাচ্ছে পুলিশ। আওয়ামী লীগ ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে বলেই দেশটা এখন পুলিশের কব্জায়। অনুমতি না পাওয়ায় ’গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে জনসভার কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করা হলো।
তিনি বলেন, আমরা সোহরাওয়ার্দীতে জনসভার অনুমতির জন্য অপেক্ষা করলেও এখন পর্যন্ত আমরা জনসভার অনুমতি পাইনি। বিএনপির মতো একটি সর্ববৃহৎ দলকে শান্তিপূর্ণ সমাবশের অনুমতি না দেয়া স্বৈরাচারি আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। অথচ ২৪ মার্চ গণতন্ত্র হত্যার দিনে সরকার প্রধানের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় পার্টিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় গণতন্ত্রকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত করা হলো।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আবুল খায়ের ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, আব্দুল আউয়াল, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
