রাজশাহীর বাগমারায় ধান ক্ষেতে এক যুবককে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম কামরুল ইসলাম (২৮)। তিনি উপজেলার বড়বিহানালী ইউনিয়নের মরুরীপাড়া এলাকার আমবাড়িয়া গ্রামের চয়েন উদ্দীনের ছেলে। ওই ঘটনায় পুলিশ রঞ্জু (৪৮) নামের এক দাদন ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। দাদন ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে কামরুল ইসলাম তার চাচাতো ভাইয়ের ১০০ সিসি’র হিরো মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সে রাতে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এলাকার লোকজন বিলসুতি বিলের রাস্তায় মোটরসাইকেলটি পড়ে থাকতে দেখেন। লোকজনের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হলে তারা মোটরসাইকেলের কাছে গিয়ে কামরুল ইসলামের গলাকাটা লাশটি দেখতে পান। লোকজনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং নিহত কামরুলের লাশটি দেখতে পান।
আরও পড়ুন: একদিনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভোট উৎসব সম্পন্ন
বিষয়টি ফোনে বাগমারা থানার পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং নিহত কামরুল ইসলামের লাশের সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, কামরুল ইসলামকে ধারালো ব্লেড দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাবাদের জন্য রঞ্জু নামের এক দাদন ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনের জন্য পুলিশ দাদন ব্যবসাসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। হত্যার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক অল্প সময়ের মধ্যে সবাইকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/কেকে
