জঙ্গিদের ক্ষমতার বাইরে রাখলে গণতন্ত্রের প্রাপ্তি ঘটে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ২০:২১
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, মৌলবাদী, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের ক্ষমতার বাইরে রাখলে গণতন্ত্রের কমতি হয়না, বরং প্রাপ্তি ঘটে। সচিবালয়ে আজ রবিবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সফররত বিশ্বের ১০টি দেশের ২৭ জন সাংবাদিকের সাথে মত বিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, ‘চমৎকার উন্নয়নের মধ্যেও সাম্প্রদায়িক-সন্ত্রাসীদের দমনকে যারা গণতন্ত্রের কমতি বলে মনে করে, তারা বিভ্রান্তিতে রয়েছে।’
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোড় বদলকারী অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ ও সংবিধানের চার নীতির ওপর শক্ত অবস্থানই বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিস্ময়কর উন্নয়নের এ পথে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, খালেদা জিয়া ও বিএনপি চক্র। জঙ্গিবাদের বিরূদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থান সেই বাধা অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে।’ 
 
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ভিজিট বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় ১৪ থেকে ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ সফররত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে কানাডার কলিন রবার্টসন, কোরিয়ার মিনহিউং লি এবং সেহওয়ান পার্ক, জার্মানির কেভিন পিটার হোফম্যান, বার্ন্ট হেলজি বার্গার এবং ক্লডিয়া এ্যাসট্রিড সোলকেন, ফ্রান্সের লিডিয়া বেন ইজহাম, ইথিওপিয়ার ব্রু ইহুনবিলে মেনজিসটু, আবেত গ্রুম, আটো ক্রিসটিয়ান এবং মুলুকেন ইয়েওন্ডোসেন কিফলে, ব্রাজিলের মার্সিয়া হেলেনা গনকালভেস রোলেমবার্গ, ফাবিয়ানা কুইরোজ মেনডেস সেবান এবং জুলিয়ানো দ্যা সিলভা কর্টিনবাস। 
 
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের দিবাদীপ পুরোহিত, দেবদূত ঘোষঠাকুর, অমল সরকার, প্রিয়াংকা দাসগুপ্ত, ভিনীতা পান্ডে, গৌতম লাহিড়ী, ফিলিপাইনের বাডি ও’ কুনানান, তুরস্কের সেইমা নাজলি গুর্বুজ, ইউসুফ সেমান ইনাঙ্ক, ড. নাজমি আগিল, ফারুক টোকাট ও আহমেদ কসকুনেইডিন ও থাইল্যান্ডের এরিক পারপার্ট এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুলতান মাহমুদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক এম দেলোয়ার হোসেনসহ তথ্য ও পররাষ্ট্র দু’মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় যোগ দেন। বাসস।
 
ইত্তেফাক/এমআই