ওয়াশিংটনে অবস্থিত নিউজিল্যান্ড দূতাবাসের টয়লেটে দেশটির একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোপন ক্যামেরা রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আলফ্রেড কিটিং নামে দেশটির নৌবাহিনীর সাবেক কমোডর জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে দূতাবাসে কাজ করছিলেন। তিনি ওই দায়িত্বে থাকাকালেই গত বছর জুলাইয়ে এই ক্যামেরাটি ধরা পড়ে।
তার বিরুদ্ধে গোপন চিত্র ধারণের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১৮ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে। নিউজিল্যান্ডের হাইকোর্ট এই মামলার বিষয়ে ইতোমধ্যেই কিটিংয়ের করা একটি আপিল খারিজ করে দিয়েছে। হঠাৎ ক্যামেরাটি বাথরুমে পড়ে গেলে তা ধরা পড়ে। টয়লেট ব্যবহারের জন্য কোন ব্যক্তি প্রবেশ করলে তখন সেই ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ হতো বলে বিচারক জানিয়েছেন।
দূতাবাসের অন্তত ৬০ জন কর্মকর্তা ওই টয়লেট ব্যবহার করতো। ওয়াশিংটন থেকে ফরেনসিক টেস্টের জন্য নিউজিল্যান্ড পুলিশ ক্যামেরাটি নিয়ে এসেছে। প্রসিকিউটররা বলছেন নিজ কম্পিউটার থেকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে ক্যামেরাটি ব্যবহার করা হতো।
ইত্তেফাক/কেআই
