জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে ১৫ মে মঙ্গলবার আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে খালেদার পক্ষে শুনানি শুরু করেন তার আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।
খালেদা জিয়াকে দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মঙ্গলবার শুনানি শেষ করেছেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করেছেন। তার অসমাপ্ত শুনানি বুধবার করবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
গতকাল শুনানির শুরুতে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। কেন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল হওয়া উচিত- সে বিষয়ে তারা আদালতের সামনে যুক্তি তুলে ধরেন। পরে শুনানি আজ বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করেছে আপিল বিভাগ।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। ১০ বছরের জন্য সশ্রম সাজা দেয়া হয় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচজনকে। এদেরকে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেয়া হয়। সাজার এই রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল গত ২২ ফ্রেব্রুয়ারি শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্থগিত করে অর্থ দণ্ডও। বিচারিক আদালত থেকে এই মামলার নথি আসার পর গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট চারটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেয়।
পরে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৯ মার্চ আপিল বিভাগ হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করে দেয়। এ ছাড়া ৮ মে আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্য করে আদালত।
ইত্তেফাক/কেকে
