ধুনটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবসায়ীর বাধা, শ্রমিকের কারাদণ্ড

আপডেট : ১১ মে ২০১৮, ১৪:০৩
ধুনট উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে বালু ব্যাবসায়ীর বাধা, ওএসকে মারধর ও জব্দকৃত শ্যালো মেশিন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ফেরদৌস আলম (৩২) নামের এক শ্রমিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট রাজিয়া সুলতানা।
 
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফেরদৌস আলম উপজেলার আড়কাটিয়া গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে। তিনি অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কাজে নিয়জিত ছিলেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ধুনট থানা থেকে তাকে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 
ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আড়কাটিয়া ইছামতি নদীর তীরে সরকারি অর্থায়নে গুচ্ছগ্রামটি এক মাস আগে উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩ দিন ধরে আড়কাটিয়া গ্রামের জনৈক প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী গুচ্ছগ্রামের নিকট থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করেন। এতে ওই গ্রামের একটি ঘর ধসে নদীতে বিলীন হয়েছে।
 
সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ইউএনও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তার সাথে প্রধান অফিস সহকারী (ওএস) আপন দুলাল ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ অফিসের অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। রাত ৯টা পর্যন্ত অভিযান চলাকালে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ২টি শ্যালো মেশিন জব্দ ও এক শ্রমিককে আটক করা হয়।
 
এদিকে ২টি শ্যালো মেশিন ধ্বংসকালে বালু ব্যবসায়ী ও তার লোকজন ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে তারা ওএস আপন দুলালকে মারধর করে জব্দকৃত শ্যালো মেশিন ছিনিয়ে নেন।
 
ধুনট থানার ওসি খান মো. এরফান বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফেরদৌস আলমকে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ইউএনও অফিসের প্রধান অফিস সহকারীকে মারধরের অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
ধুনটের ইউএনও রাজিয়া সুলতানা বলেছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। এক শ্রমিককে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওএসকে মারধরের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওসি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি