শান্তিনিকেতনে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন মমতা

আপডেট : ২৫ মে ২০১৮, ১২:৪৩
ভারতের শান্তিনিকেতনের হেলিপ্যাডে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শুধু তাই নয় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন, বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন এবং পরের দিন শনিবার বর্ধমানে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ডি.‌ লিট প্রদান অনুষ্ঠানেও হাজির থাকবেন তিনি। তিন অনুষ্ঠানের ফাঁকে তারা তিস্তার পানি নিয়ে কথা বলতে পারেন।
 
তৃণমূল সূত্রে খবর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মমতা ব্যানার্জির অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের খাতিরেই শেখ হাসিনার সবকটি অনুষ্ঠানেই থাকতে সম্মত হয়েছেন তিনি। জানা গেছে, শান্তিনিকেতন এবং বর্ধমানে তিন অনুষ্ঠানের ফাঁকে সময় করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলবেন মমতা। কথা হবে দুই বাংলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। স্বাভাবিক ভাবে অমীমাংসিত তিস্তার পানি বণ্টন নিয়েও দুইজনের মধ্যে কথা হবে।
 
সূত্র মতে, তিস্তা নিয়ে কথা বলতে মমতার আপত্তি নেই। মূলত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে তিস্তা নিয়ে আলোচনায় অনীহা মমতার; কিন্তু এখন তিনি মনে করছেন, এ নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। না হলে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পশ্চিমবঙ্গ সম্বন্ধে ভুল বার্তা পৌঁছতে পারে।
 
শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বৃহস্পতিবার বিকালেই শান্তিনিকেতনের উদ্দেশে রওনা হবেন মমতা ব্যানার্জি। আয়োজন সব সম্পূর্ণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে নেবেন। শুক্রবার বাংলাদেশ ভবনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক হবে। সরকারি অনুষ্ঠান সূচিতে দুই প্রধানমন্ত্রীর কথা বলা রয়েছে। সেখানে এখনো পর্যন্ত মমতা ব্যানার্জির থাকার কথা উল্লেখ না থাকলেও তিনি থাকছেন। দুই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় অনানুষ্ঠানিক ভাবে একটি বৈঠক হবে। সেখানে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মমতা ব্যানার্জি থাকবেন।
 
ইত্তেফাক/সেতু