রংপুরের বদরগঞ্জে চার নারীকে পেটানোর ঘটনায় মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য মোস্তফিজার রহমানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। গত ৩ জুন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে জরুরি সভা ডেকে রেজুলেশনের মাধ্যমে ওই দাবি জানান পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব ও সাতজন ইউপি সদস্য। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সেই রেজুলেশনের কপিসহ লিখিত অভিযোগ আজ মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রাশেদুুল হকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ওই রেজুলেশনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৯ মে ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর বাওচন্ডী বালাপাড়া গ্রামের তহুজা বেগমের কাছে ভিজিডি কার্ডের ৩০০ টাকা দাবি করেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজার রহমান। ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের কাছে নালিশ দিতে পরদিন ইউনিয়ন পরিষদে আসেন তহুজা বেগম। এ সময় মোস্তাফিজারের নেতৃত্বে ৭-৮জন ব্যক্তি প্রকাশ্যে তহুজা বেগমকে মারপিট করতে থাকেন। তাকে উদ্ধারে তিন নারী এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারপিট করে শ্লীলতাহানী ঘটায় দুস্কৃতিকারীরা। এ সময় চেয়ারম্যানসহ পরিষদের অন্য সদস্যরা প্রতিহত করতে গেলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য তাদের ওপরও চড়াও হন।
চেয়ারম্যান আয়নাল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘মোস্তাফিজার রহমান ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ভিজিএফ, ভিজিডিসহ বিভিন্ন সরকারি কার্ডে দুস্থদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আসছে।’
অভিযোগ সর্ম্পকে ইউপি সদস্য মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। চেয়ারম্যান এলজিএসপি প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করেছেন। আমি এর প্রতিবাদ করায় তিনি (চেয়ারম্যান) আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল হক বলেন, ‘আমি দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৩০ মে ইত্তেফাকের অনলাইনে ‘বদরগঞ্জে প্রকাশ্যে চার নারীকে পেটালেন ইউপি সদস্য’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ইত্তেফাক/নূহু
