বাজেট: কক্সবাজারে ভিজিডি কাযক্রম বাড়ানো হচ্ছে

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৮, ২০:৪১
প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কোন বরাদ্দের কথা বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেননি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপেজলার প্রতিটিতে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার ভিজিডি কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৪০ হাজার বৃদ্ধি করার কথা জানান তিনি। 
 
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগিরকদের মানিবক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি তাদের নিজ দেশে দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রয়োগিক দিকগুলো মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের নিমিত্তে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা অধিকার ও জীবিকার নিশ্চিয়তাসহ তাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিত আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
 
তিনি বলেন, মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য জাতিসংঘের আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সীমিত সম্পদ ও বাজেট বরাদ্দে চাপ থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনায় আমরা আগত রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য বাসস্থান, সুরক্ষা, চিকিৎসা ও আনুষঙ্গিক মানবিক সহায়তা প্রদান করছি। তবে আমার মনে হয় যে, আর্ন্তজাতিক তৎপরতা ছাড়া রোহিঙ্গা আশ্রয়প্রার্থীদের পুনর্বাসন ও নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া মোটেও এগুবে না।
 
ইত্তেফাক/এমআই