বিক্রেতার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণি ‘তক্ষক’অবমুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে স্থানীয় সরকারি ডিগ্রী কলেজ এলাকায় এ প্রাণিটিকে অবমুক্ত করেন ফরেস্টার আবদুস সালাম।
এ সময় নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাজেদুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাশেম, সাব-ইন্সপেক্টর কাওসার হোসেন, রিপন চক্রবর্তীসহ সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
গত বুধবার রাতে বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণি ‘তক্ষক’ বিক্রি করতে গিয়ে উপজেলা সদরের কলেজ মোড়ে পুলিশের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে উপজেলার ধনকুড়া গ্রামের জারু মিয়ার ছেলে আঙ্গুর মিয়া(৪০)।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইন ২০১২-এর ৩৫/৪১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার আঙ্গুর মিয়াকে জেলহাজতে প্রেরণ করলেও তক্ষকটি থানার হেফাজতেই থাকে।
আজ শুক্রবার বিজ্ঞ আদালতের আদেশ ১নং, স্মারক নং ৫৫ মূলে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন ৩৫/৪১ এর ৯ ধারা মোতাবেক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোঃ সাজেদুর রহমান ফরেস্টার মোঃ আব্দুস সালামের কাছে এ তক্ষকটি হস্তান্তর করেন। পরে তিনি স্থানীয় সরকারি ডিগ্রী কলেজ এলাকায় এ প্রাণিটিকে অবমুক্ত করেন।
আরও পড়ুনঃ রংপুরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের
ফরেস্টার মোঃ আব্দুস সালাম জানান, তক্ষকটি কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। তবে স্বাস্থ্যগত কোন ঝুঁকির আশংকা নেই। এটি প্রায় ৯ ইঞ্চি লম্বা ও ১৫০ গ্রাম ওজনের।
ইত্তেফাক/নূহু
