থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ণকে কিছু রাজকীয় সম্পদের মালিকানা দেওয়া হয়েছে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার কোটি ডলার। ক্রাউন প্রপার্টি ব্যুরো বলছে, গত বছর একটি আইনের পরিবর্তনের কারণে তারা এ সম্পদের মালিকানা হস্তান্তর করেছে। রাজতন্ত্রের হয়ে এই ব্যুরো রাজ পরিবারের সম্পদ ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে। নতুন ব্যবস্থায় প্রথমবারের মতো করের আওতায় আসবে রাজ পরিবারের সম্পদও। খবর বিবিসি’র।
২০১৬ সালের অক্টোবরে রাজা ভূমিবলের মৃত্যুর পর ছেলে মাহা ভাজিরালংকর্ণ রাজা হন। থাইল্যান্ডে রাজ পরিবার সংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর। এতে রাজতন্ত্রের কোনো সমালোচনাও নিষিদ্ধ। রাজ পরিবারকে সুরক্ষার বিধানও আছে আইনে। এক বিবৃতিতে ক্রাউন প্রপার্টি ব্যুরো বলছে, তাদের দায়িত্বে থাকা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছে রাজার কাছে যাতে তিনি এগুলো ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এ সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারও আছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজা অন্য নাগরিকদের মতে কর দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া এসব সম্পদের ব্যবস্থাপনা হবে স্বচ্ছ ও পর্যবেক্ষণের জন্য উন্মুক্ত। তবে ঠিক কত সম্পদ ব্যুরোর হাতে ছিলো তা প্রকাশ করা হয়নি। যদিও ২০১২ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন বলেছিলো এসব সম্পদ ও বিনিয়োগের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
