নাগরপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার ছোট ভাই সুরেশ শীলের হাতে বড় ভাই আনন্দ মোহন শীল (৬০) খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
এব্যাপারে ঘটনার দিন রাতেই নিহতের ছেলে রাম প্রসাদ শীল বাদী হয়ে ৫জনকে নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই এসআই মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- সুরেশ শীলের মেয়ে সূবর্ণা শীল (১৯), সঞ্জিতা শীল (১৫) ও তৃষ্ণা শীল (১২)।
থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চৌধুরী ডাঙ্গা গ্রামের মৃত. পলান শীলের ছেলে আনন্দ মোহন শীল ও সুরেশ শীলের মধ্যে জমাজমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
তারই জের ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি গাছের মালিকানা দাবি নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সুরেশ বড় ভাই আনন্দকে শ্বাসরোধ করে পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। পরে পরিবারের লোকজন আনন্দকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাগরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) খান মোহাম্মদ হাসান মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে বুধবার সকালে টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের ছেলে মঙ্গলবার রাতে ৫জনের নামে মামলা করেন। রাতেই উপ-পরিদর্শক মো. শাহজাহান একদল পুলিশ নিয়ে অভিযান চালিয়ে সুরেশের তিন মেয়েকে গ্রেফতার করেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি
