গাজীপুরে ধরপাকড় শুরু হয়েছে: বিএনপি

আপডেট : ২১ জুন ২০১৮, ২০:৫৩
গাজীপুরে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সমন্বয় সভা হওয়ার পর থেকে সেখানকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নেতাদের ধরপাকড় শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে দলের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন। 
 
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, বুধবার রাতে কাশিমপুর ইউনিটের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব শাহিন, কাশিটমপুর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য শাজাহান ডিলার, কোনাবাড়ী নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. মিলন, সদস্য সচিব মিলন মিয়া ও সদস্য সাইফুল ইসলামকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বালিয়াড়া নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সদস্য আবদুস সামাদ ও শাহ আলম এবং ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড টঙ্গী নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সায়েমকে গাজীপুর ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
 
রিজভী আরো বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মিডিয়া সেলপ্রধান ডা. মাজহারুল আলম, কাউলতিয়া নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নাজিম চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির নেতা সাইফুল ইসলাম বাবুলের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে ।
 
এই গ্রেপ্তার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব বলেন, বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারগণ গাজীপুরের প্রার্থীদের সাথে সমন্বয় সভার পরদিন থেকে সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিএনপির নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নেতাদের ধরপাকড় শুরু হয়েছে। গত ১৫ জুন কাশিমপুর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি শওকত হোসেন সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
 
রিজভী বলেন, ‘যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুকে মিথ্যা অভিযোগে সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ রিমান্ডে নেয়। সেখান থেকে তাকে বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, টুকু বুধবার পর্যন্তও সুস্থ ছিলেন, কিন্তু রিমান্ডে নেওয়ার পর তাকে শারীরিক নির্যাতন করার ফলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপি।
 
ইত্তেফাক/এএম